Valentine's Day

Bangladesh • February 14, 2026 • Saturday

42
Days
17
Hours
14
Mins
56
Secs
until Valentine's Day
Asia/Dhaka timezone

Holiday Details

Holiday Name
Valentine's Day
Country
Bangladesh
Date
February 14, 2026
Day of Week
Saturday
Status
42 days away
Weekend
Falls on weekend
About this Holiday
February 14 is Valentine's Day or Saint Valentine's Feast. The day of love owes its origins to ancient Roman and European Christian traditions.

About Valentine's Day

Also known as: বিশ্ব ভালোবাসা দিবস

বাংলাদেশে ভালোবাসা দিবস: একটি বিস্তারিত গাইড

বাংলাদেশে ভালোবাসা দিবস বা 'ভ্যালেন্টাইনস ডে' এখন কেবল একটি পশ্চিমা উৎসব নয়, বরং এটি এদেশের তরুণ প্রজন্মের সংস্কৃতি ও আবেগের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতি বছর ১৪ই ফেব্রুয়ারি বিশ্বজুড়ে পালিত এই দিনটি বাংলাদেশেও অত্যন্ত উদ্দীপনার সাথে পালন করা হয়। যদিও এটি কোনো ধর্মীয় বা জাতীয় উৎসব নয়, তবুও নাগরিক জীবনে এর প্রভাব অপরিসীম।

ভালোবাসা দিবস মূলত মানুষের হৃদয়ের গভীর অনুভূতি প্রকাশের একটি বিশেষ দিন। বাংলাদেশে এই দিনটি কেবল প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং বন্ধু-বান্ধব, ভাই-বোন এবং মা-বাবার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের মাধ্যম হিসেবেও এটি জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটের মতো বড় বড় শহরগুলোতে এই দিনের আমেজ সবচাইতে বেশি দেখা যায়। লাল রঙের পোশাক, হাতে গোলাপ আর প্রিয়জনকে দেওয়া ছোট কোনো উপহার—সব মিলিয়ে এক দারুণ উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।

এই দিনটির বিশেষত্ব হলো এটি বসন্তের আগমনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বাংলাদেশে বসন্তের প্রথম দিন অর্থাৎ 'পহেলা ফাল্গুন' এবং ভালোবাসা দিবস প্রায় একই সময়ে পড়ে। অনেক সময় এই দুটি উৎসব একই দিনে পালিত হয়, যা উৎসবের রঙকে আরও দ্বিগুণ করে দেয়। তরুণ-তরুণীরা বাসন্তী রঙের শাড়ি বা পাঞ্জাবির পাশাপাশি লাল রঙের ছোঁয়া রেখে এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখে। শহরের পার্ক, রেস্তোরাঁ এবং বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকা এই দিনে জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

বাংলাদেশে 2026 সালের ভালোবাসা দিবস কবে?

২০২৬ সালে বাংলাদেশে ভালোবাসা দিবস পালিত হবে নিম্নলিখিত সময়সূচী অনুযায়ী:

তারিখ: February 14, 2026 বার: Saturday

  • অবশিষ্ট সময়: আর মাত্র 42 দিন বাকি
বাংলাদেশে ভালোবাসা দিবসের তারিখটি প্রতি বছর স্থির থাকে। আন্তর্জাতিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এটি প্রতি বছর ১৪ই ফেব্রুয়ারি পালিত হয়। তবে বাংলা বর্ষপঞ্জি সংশোধনের পর থেকে বাংলাদেশে পহেলা ফাল্গুন বা বসন্ত উৎসবও ১৪ই ফেব্রুয়ারিতেই পড়ে। ফলে একই দিনে দুটি বড় উৎসব হওয়ায় দিনটি বাংলাদেশের মানুষের কাছে আরও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ভালোবাসা দিবসের ইতিহাস ও প্রেক্ষাপট

ভালোবাসা দিবসের ইতিহাস বেশ প্রাচীন এবং এটি মূলত সেন্ট ভ্যালেন্টাইন নামক একজন খ্রিষ্টান শহীদের আত্মত্যাগের কাহিনী থেকে উদ্ভূত। প্রচলিত লোককথা অনুযায়ী, রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াসের শাসনামলে তরুণদের বিয়ে করা নিষিদ্ধ ছিল, কারণ সম্রাট বিশ্বাস করতেন অবিবাহিত যুবকরা ভালো সৈনিক হয়। কিন্তু সেন্ট ভ্যালেন্টাইন এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন এবং গোপনে তরুণ-তরুণীদের বিয়ের ব্যবস্থা করতেন। এই অপরাধে তাঁকে কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে ১৪ই ফেব্রুয়ারি তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

কারাগারে থাকাকালীন ভ্যালেন্টাইন কারারক্ষীর অন্ধ মেয়ের চোখের জ্যোতি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন এবং মৃত্যুর আগে তাকে একটি চিঠি লিখেছিলেন যার শেষে লেখা ছিল "From your Valentine"। সেই থেকেই এই দিনটি ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পায়।

বাংলাদেশে এই দিবসটির প্রচলন খুব বেশি দিনের নয়। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে মূলত বিনোদন ম্যাগাজিন এবং গণমাধ্যমের হাত ধরে বাংলাদেশে ভ্যালেন্টাইনস ডে-র ধারণা জনপ্রিয় হতে শুরু করে। শফিক রেহমানকে বাংলাদেশে ভালোবাসা দিবসের প্রবর্তক হিসেবে অনেকে গণ্য করেন, কারণ তাঁর সম্পাদিত 'যায়যায়দিন' পত্রিকার মাধ্যমে এই দিবসটির প্রচারণা ব্যাপকতা পায়।

বাংলাদেশে যেভাবে এই দিনটি পালিত হয়

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ভালোবাসা দিবস পালনের ধরণটি বেশ বৈচিত্র্যময়। শহরাঞ্চলে এর প্রভাব সবচাইতে বেশি লক্ষ করা যায়।

১. উপহার আদান-প্রদান: এই দিনে প্রিয়জনকে উপহার দেওয়া একটি প্রধান রীতি। উপহারের তালিকায় সবচাইতে উপরে থাকে লাল গোলাপ। এছাড়া চকলেট, কার্ড, টেডি বিয়ার, পারফিউম এবং গয়না উপহার দেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। ফুলের দোকানগুলোতে এই দিনে উপচে পড়া ভিড় থাকে এবং গোলাপের দাম কয়েক গুণ বেড়ে যায়।

২. বিশেষ পোশাক: ভালোবাসার রঙ লাল, তাই এই দিনে অধিকাংশ মানুষ লাল বা তার কাছাকাছি রঙের পোশাক পরতে পছন্দ করেন। মেয়েরা লাল শাড়ি এবং ছেলেরা লাল পাঞ্জাবি বা টি-শার্ট পরে রাস্তায় বের হন। পহেলা ফাল্গুনের সাথে মিলে যাওয়ায় হলুদ ও লালের এক অপূর্ব সংমিশ্রণ দেখা যায় রাজপথে।

৩. বাইরে খাওয়া-দাওয়া ও ভ্রমণ: রাজধানীর ধানমন্ডি লেক, রমনা পার্ক, চন্দ্রিমা উদ্যান এবং পূর্বাচলের মতো জায়গাগুলোতে যুগলদের ভিড় থাকে। এছাড়া বিভিন্ন ক্যাফে ও রেস্তোরাঁ এই দিনটি উপলক্ষে বিশেষ 'কাপল ডিনার' বা ছাড়ের ব্যবস্থা করে। অনেকে প্রিয়জনকে নিয়ে সিনেমা দেখতে যান বা কনসার্টে অংশ নেন।

৪. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম: ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং টিকটকের যুগে ভালোবাসা দিবস পালনের ধরণও বদলেছে। মানুষ তাদের প্রিয় মুহূর্তের ছবি বা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেন। বিশেষ স্ট্যাটাস বা বার্তার মাধ্যমে একে অপরকে শুভেচ্ছা জানান।

বিতর্ক ও সমালোচনা

বাংলাদেশে ভালোবাসা দিবস পালন নিয়ে কিছু বিতর্ক এবং সামাজিক সমালোচনাও বিদ্যমান। দেশের একটি রক্ষণশীল গোষ্ঠী মনে করে যে, এটি একটি পশ্চিমা আমদানি করা সংস্কৃতি যা এদেশের ঐতিহ্য ও ধর্মীয় মূল্যবোধের সাথে সাংঘর্ষিক। বিশেষ করে কিছু ধর্মীয় সংগঠন এই দিনটিকে 'বেহায়াপনা' বা 'অশ্লীলতা' হিসেবে আখ্যায়িত করে এর বিরোধিতা করে।

অন্যদিকে, আধুনিক ও উদারমনা মানুষের মতে, ভালোবাসার কোনো সীমানা নেই। এটি কেবল একটি বিশেষ দিন যা মানুষকে আনন্দ দেয় এবং সম্পর্কের গভীরতা বাড়াতে সাহায্য করে। এই দ্বিমুখী অবস্থানের কারণে বাংলাদেশে ভালোবাসা দিবস পালন যেমন ব্যাপক, তেমনি কোথাও কোথাও এটি নিয়ে কিছুটা উত্তেজনাও দেখা যায়। তবে সামগ্রিকভাবে, শহরগুলোতে এর জনপ্রিয়তা প্রতি বছর বেড়েই চলেছে।

ভালোবাসা দিবসের অর্থনৈতিক প্রভাব

বাংলাদেশে ভালোবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে এক বিশাল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। ফুল ব্যবসায়ী, গিফট শপ, রেস্তোরাঁ এবং ফ্যাশন হাউসগুলো এই দিনটির জন্য সারা বছর অপেক্ষা করে। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, কেবল ভালোবাসা দিবসেই বাংলাদেশে কোটি কোটি টাকার ফুল বিক্রি হয়। বিশেষ করে সাভার ও যশোরের গদখালি থেকে আসা গোলাপের চাহিদা থাকে তুঙ্গে। অনলাইন শপগুলোও এই দিনে বিশেষ অফার দিয়ে প্রচুর কেনাবেচা করে।

এটি কি সরকারি ছুটি?

না, বাংলাদেশে ভালোবাসা দিবস কোনো সরকারি ছুটি নয়। February 14, 2026 তারিখে সরকারি অফিস, আদালত, ব্যাংক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাভাবিক নিয়মেই খোলা থাকবে। যেহেতু ২০২৬ সালে এই দিনটি Saturday পড়েছে, তাই সাধারণ কর্মদিবস হিসেবেই এটি গণ্য হবে। তবে যেহেতু এটি একটি সাংস্কৃতিক উৎসবের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে, তাই কর্মক্ষেত্রে বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও মানুষ একে অপরের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বেসরকারি অনেক অফিস এই দিনে কর্মীদের জন্য ছোটখাটো অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে।

পরিশেষে বলা যায়, বাংলাদেশে ভালোবাসা দিবস এখন কেবল একটি ক্যালেন্ডারের তারিখ নয়, বরং এটি তারুণ্যের জয়গান এবং সম্পর্কের উষ্ণতা উদযাপনের একটি উপলক্ষ। নানা বিতর্ক সত্ত্বেও, এই দিনটি মানুষের মনে আনন্দের সঞ্চার করে এবং যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততার মাঝে প্রিয়জনের জন্য কিছুটা সময় বের করার সুযোগ করে দেয়। আপনি আপনার প্রিয়জনের সাথে যেভাবেই দিনটি কাটান না কেন, মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অকৃত্রিম ভালোবাসা।

Frequently Asked Questions

Common questions about Valentine's Day in Bangladesh

২০২৬ সালে বাংলাদেশে ভালোবাসা দিবস Saturday, February 14, 2026 তারিখে পালিত হবে। এই বিশেষ দিনটি আসতে আর মাত্র 42 দিন বাকি রয়েছে। যদিও এটি বিশ্বজুড়ে রোমান্টিক প্রেমের দিন হিসেবে পরিচিত, বাংলাদেশে এটি মূলত তরুণ প্রজন্মের মধ্যে একটি জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক উৎসব হিসেবে পালিত হয়।

না, ভালোবাসা দিবস বাংলাদেশে কোনো সরকারি ছুটির দিন নয়। এটি একটি সাংস্কৃতিক উদযাপন হিসেবে গণ্য করা হয়। February 14, 2026 তারিখে সরকারি অফিস, ব্যাংক, বিমা এবং অন্যান্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নিয়মিত কর্মঘণ্টা অনুযায়ী খোলা থাকবে। যেহেতু এটি কোনো জাতীয় দিবস নয়, তাই স্কুল-কলেজ বা কর্মক্ষেত্রে কোনো বাড়তি ছুটি পাওয়া যাবে না।

বাংলাদেশে বিশেষ করে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মতো বড় শহরগুলোতে ভালোবাসা দিবস বেশ ধুমধাম করে পালিত হয়। এই দিনে দম্পতিরা একে অপরকে ফুল, বিশেষ করে লাল গোলাপ উপহার দেয়। কার্ড, চকোলেট এবং বিভিন্ন ধরণের স্মৃতিচিহ্ন বিনিময় করা এই দিনের প্রধান আকর্ষণ। অনেক যুগল এই দিনে বিশেষ পোশাকে সজ্জিত হয়ে রেস্তোরাঁয় রাতের খাবার খেতে যান বা পার্কে সময় কাটান।

বাংলাদেশে ভালোবাসা দিবসের সাথে বসন্তের প্রথম দিনের একটি গভীর যোগসূত্র রয়েছে। অনেক সময় পহেলা ফাল্গুন এবং ভালোবাসা দিবস কাছাকাছি সময়ে হওয়ায় তরুণীরা বাসন্তী বা লাল রঙের শাড়ি পরে এবং মাথায় ফুলের টায়রা দেয়। ছেলেরা পাঞ্জাবি পরে তাদের প্রিয়জনের সাথে দেখা করতে বের হয়। এটি পশ্চিমা সংস্কৃতির সাথে বাঙালি ঐতিহ্যের এক চমৎকার মিশ্রণ তৈরি করে।

হ্যাঁ, বাংলাদেশে ভালোবাসা দিবস উদযাপন নিয়ে কিছুটা বিতর্ক রয়েছে। সমাজের একটি রক্ষণশীল অংশ এবং কিছু ধর্মীয় গোষ্ঠী একে পশ্চিমা সংস্কৃতির অনৈসলামিক অনুপ্রবেশ হিসেবে দেখে। তাদের মতে, এটি ঐতিহ্যবাহী বাঙালি মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এই কারণে শহর এলাকায় এটি ব্যাপকভাবে গৃহীত হলেও গ্রামীণ বা রক্ষণশীল সমাজব্যবস্থায় এর উদযাপন সীমিত এবং মাঝেমধ্যে সমালোচনার মুখে পড়ে।

হ্যাঁ, ভালোবাসা দিবস যেহেতু কোনো সরকারি ছুটি নয়, তাই বাংলাদেশের সকল দোকানপাট, শপিং মল এবং গণপরিবহন স্বাভাবিকভাবে সচল থাকে। বরং এই দিনে ফুলের দোকান এবং রেস্তোরাঁগুলোতে সাধারণ সময়ের চেয়ে অনেক বেশি ভিড় থাকে। উপহার কেনার জন্য শপিং মলগুলোতে বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয় এবং মানুষজন যাতায়াতের জন্য রিকশা বা সিএনজি ব্যবহার করে শহরের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে ভ্রমণ করেন।

কোনো পর্যটক যদি এই সময়ে বাংলাদেশে থাকেন, তবে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকা বা রমনা পার্কের উৎসবমুখর পরিবেশ উপভোগ করতে পারেন। এই দিনে পুরো শহর রঙিন সাজে সেজে ওঠে। তবে ভিড় এড়াতে চাইলে আগেভাগেই রেস্তোরাঁ বুক করে রাখা ভালো। পর্যটকরা স্থানীয় সংস্কৃতির এই আধুনিক রূপটি দেখে মুগ্ধ হতে পারেন, যেখানে ঐতিহ্যবাহী পোশাকের প্রাধান্য থাকে।

২০২৬ সালের ভালোবাসা দিবসটি Saturday বা শনিবার হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এটি একটি নিয়মিত কার্যদিবস, সাপ্তাহিক ছুটির আমেজ থাকায় বিকেলে এবং সন্ধ্যায় ভিড় বাড়বে। বিশেষ করে ফুল বিক্রেতা, গিফট শপ এবং ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলো এই দিনে তাদের সর্বোচ্চ বিক্রির আশা করে। তরুণরা এই দিনে প্রিয়জনের জন্য কেনাকাটা করতে পছন্দ করে।

Historical Dates

Valentine's Day dates in Bangladesh from 2010 to 2025

Year Day of Week Date
2025 Friday February 14, 2025
2024 Wednesday February 14, 2024
2023 Tuesday February 14, 2023
2022 Monday February 14, 2022
2021 Sunday February 14, 2021
2020 Friday February 14, 2020
2019 Thursday February 14, 2019
2018 Wednesday February 14, 2018
2017 Tuesday February 14, 2017
2016 Sunday February 14, 2016
2015 Saturday February 14, 2015
2014 Friday February 14, 2014
2013 Thursday February 14, 2013
2012 Tuesday February 14, 2012
2011 Monday February 14, 2011
2010 Sunday February 14, 2010

Note: Holiday dates may vary. Some holidays follow lunar calendars or have different observance dates. Purple indicates weekends.