Holiday Details
- Holiday Name
- New Year's Day
- Country
- Bangladesh
- Date
- January 1, 2026
- Day of Week
- Thursday
- Status
- Passed
- About this Holiday
- New Year’s Day is the first day of the year, or January 1, in the Gregorian calendar.
Bangladesh • January 1, 2026 • Thursday
Also known as: ইংরেজি নববর্ষ
বাংলাদেশে জানুয়ারি মাসের প্রথম দিনটি 'ইংরেজি নববর্ষ' হিসেবে পরিচিত। যদিও বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাথে পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তবুও বিশ্বায়নের যুগে এবং প্রশাসনিক প্রয়োজনে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১লা জানুয়ারি বাংলাদেশে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পালিত হয়। এটি মূলত একটি আন্তর্জাতিক ধর্মনিরপেক্ষ উৎসব, যা নতুন বছরের আগমনকে স্বাগত জানাতে উদযাপিত হয়। বাংলাদেশে এটি সরকারি ছুটির দিন হিসেবে স্বীকৃত, যা দেশের দাপ্তরিক ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডে একটি নতুন শুরুর ইঙ্গিত দেয়।
এই দিনটি বাংলাদেশে কেবল একটি তারিখ পরিবর্তন নয়, বরং এটি বিশ্বজনীন সংস্কৃতির সাথে সংহতি প্রকাশের একটি মাধ্যম। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই দিনটিকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। থার্টি ফার্স্ট নাইট বা ৩১শে ডিসেম্বর দিবাগত রাতে উৎসবের আমেজ শুরু হয় এবং ১লা জানুয়ারি সরকারি ছুটির মাধ্যমে প্রশান্তিতে দিনটি অতিবাহিত হয়। যদিও এর কোনো ধর্মীয় প্রেক্ষাপট নেই, তবুও এটি আধুনিক বাংলাদেশের জীবনযাত্রার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আগামী ইংরেজি নববর্ষ ২০২৬ সালের ১লা জানুয়ারি পালিত হবে। নিচে এর বিস্তারিত সময়সূচী দেওয়া হলো:
তারিখ: January 1, 2026 দিন: Thursday অবশিষ্ট সময়: আর মাত্র 0 দিন বাকি।
ইংরেজি নববর্ষের তারিখটি প্রতি বছর নির্দিষ্ট থাকে। গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এটি সর্বদা ১লা জানুয়ারি পালিত হয়, তবে সপ্তাহের দিনটি প্রতি বছর পরিবর্তিত হয়। ২০২৬ সালে এই উৎসবটি বৃহস্পতিবার পড়েছে, যা সপ্তাহান্তের ঠিক আগেই একটি ছুটির আমেজ তৈরি করবে।
বাংলাদেশে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনের ইতিহাস খুব বেশি প্রাচীন নয়। ব্রিটিশ শাসন আমল থেকে প্রশাসনিক কাজে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহারের প্রচলন শুরু হয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর দাপ্তরিক যোগাযোগ, ব্যাংকিং লেনদেন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সুবিধার্থে এই ক্যালেন্ডারটিই প্রধান মাধ্যম হিসেবে গৃহীত হয়। ফলে ১লা জানুয়ারি একটি প্রশাসনিক মাইলফলক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই দিনটির বিশেষ তাৎপর্য হলো এটি একটি নতুন অর্থবছর বা নতুন শিক্ষাবর্ষের সূচনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। দেশের অধিকাংশ স্কুলে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হয় জানুয়ারির প্রথম দিকে। শিক্ষার্থীরা নতুন বই পায়, নতুন ক্লাসে ওঠে—ফলে জানুয়ারির প্রথম দিনটি শিশুদের কাছে এক অনন্য আনন্দের দিন। এছাড়া ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানে নতুন হিসাবের খাতা খোলা বা বার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রেও এই দিনটি গুরুত্বপূর্ণ। যদিও এটি পহেলা বৈশাখের মতো বর্ণিল কোনো সাংস্কৃতিক উৎসব নয়, তবুও এটি আধুনিক নাগরিক জীবনের একটি অপরিহার্য অংশ।
বাংলাদেশে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনের ধরণ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত: উৎসবমুখর উদযাপন এবং ঘরোয়া বিশ্রাম।
বাংলাদেশে ইংরেজি নববর্ষের কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহ্যবাহী পোশাক বা খাবার নেই। তবে মানুষের মধ্যে কিছু সাধারণ অভ্যাস লক্ষ্য করা যায়:
বিশেষ খাবার: যেহেতু এটি ছুটির দিন, তাই বাড়িতে পোলাও, বিরিয়ানি, মাংস বা পিঠা-পুলির আয়োজন করা হয়। রেস্তোরাঁগুলোতে বিশেষ ডিসকাউন্ট এবং 'নিউ ইয়ার স্পেশাল মেনু' থাকে। ভ্রমণ: বছরের প্রথম দিনে অনেকে সপরিবারে ঢাকার বাইরে বা পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ঘুরতে যান। কক্সবাজার, সিলেট বা সুন্দরবনে এই সময় পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় থাকে। ডায়েরি ও ক্যালেন্ডার: নতুন বছরের শুরুতে অফিস-আদালত এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে নতুন ডায়েরি ও ক্যালেন্ডার সংগ্রহের একটি প্রচলন রয়েছে। বিভিন্ন কোম্পানি তাদের গ্রাহকদের শুভেচ্ছা হিসেবে নতুন বছরের ক্যালেন্ডার উপহার দেয়।
আপনি যদি ২০২৬ সালের ১লা জানুয়ারি বাংলাদেশে থাকার পরিকল্পনা করেন, তবে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি:
নিরাপত্তা: থার্টি ফার্স্ট নাইট বা ৩১শে ডিসেম্বর রাতে বড় শহরগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত জোরদার থাকে। বিশেষ করে ঢাকার গুলশান, বনানী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বহিরাগত প্রবেশে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হতে পারে। যাতায়াত: ১লা জানুয়ারি রাস্তাঘাটে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক থাকে, তবে অফিস-আদালত বন্ধ থাকায় জ্যাম কিছুটা কম হতে পারে। আন্তঃজেলা বাস বা ট্রেনের টিকিট আগেভাগেই সংগ্রহ করে রাখা ভালো, কারণ অনেকেই এই ছুটিতে ভ্রমণে বের হন। মদ্যপান ও আচরণ: বাংলাদেশে জনসমক্ষে মদ্যপান আইনত দন্ডনীয় এবং সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। নববর্ষের পার্টিগুলো সাধারণত নির্দিষ্ট হোটেল বা ক্লাবের ভেতরে সীমাবদ্ধ থাকে। স্থানীয় সংস্কৃতি ও ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে শালীন পোশাক পরিধান করা বাঞ্ছনীয়। আবহাওয়া: জানুয়ারি মাস বাংলাদেশে শীতকাল। উত্তরবঙ্গে বেশ ঠান্ডা থাকে এবং কুয়াশা হতে পারে। তাই সাথে গরম কাপড় রাখা জরুরি।
একটি সাধারণ ভুল ধারণা হতে পারে যে জানুয়ারির ১ তারিখই বাংলাদেশের প্রধান নববর্ষ। আসলে বিষয়টি তেমন নয়। বাংলাদেশে দুটি নববর্ষ পালিত হয়:
১. ইংরেজি নববর্ষ (১লা জানুয়ারি): এটি প্রশাসনিক ও আন্তর্জাতিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী পালন করা হয়। এটি মূলত আধুনিক ও নাগরিক উৎসব। ২. পহেলা বৈশাখ (১৪ই এপ্রিল): এটি বাঙালির আদি ও আসল নববর্ষ। এই দিনে মঙ্গল শোভাযাত্রা, পান্তা-ইলিশ ভক্ষণ এবং গ্রামীণ মেলার মাধ্যমে বাঙালি সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ ঘটে। এটি একটি জাতীয় উৎসব যা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই পালন করে।
সুতরাং, জানুয়ারির ১ তারিখের অনুষ্ঠানগুলো মূলত পশ্চিমা সংস্কৃতির আদলে হয়, যেখানে এপ্রিলের ১৪ তারিখের উৎসবটি খাঁটি দেশীয় ঐতিহ্যের ধারক।
হ্যাঁ, বাংলাদেশে ১লা জানুয়ারি একটি সরকারি সাধারণ ছুটি।
কি কি বন্ধ থাকে: দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিস এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই দিনে বন্ধ থাকে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাধারণত 'ব্যাংক হলিডে' হিসেবে লেনদেন বন্ধ রাখা হয় (যদিও এখন অধিকাংশ ব্যাংক ৩১শে ডিসেম্বর তাদের বার্ষিক হিসাব ক্লোজিং করে)। কি কি খোলা থাকে: জরুরি সেবা যেমন হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস এবং থানা সার্বক্ষণিক খোলা থাকে। এছাড়া সংবাদপত্র অফিস, বড় শপিং মল এবং পর্যটন কেন্দ্রগুলো সাধারণত খোলা থাকে। তবে ব্যক্তিগত মালিকানাধীন ছোট দোকানপাট অনেক সময় আংশিক সময় বন্ধ থাকতে পারে।
বাংলাদেশে ইংরেজি নববর্ষ কেবল একটি দিন পরিবর্তন নয়, বরং এটি নতুন আশা ও সম্ভাবনার প্রতীক। যদিও এটি কোনো ধর্মীয় বা প্রাচীন সাংস্কৃতিক উৎসব নয়, তবুও আধুনিক বাংলাদেশের জীবনযাত্রায় এর গুরুত্ব অপরিসীম। ২০২৬ সালের ১লা জানুয়ারি যখন আসবে, তখন দেশজুড়ে থাকবে নতুনকে বরণ করার এক শান্ত ও আনন্দঘন পরিবেশ। আপনি যদি এই সময়ে বাংলাদেশে থাকেন, তবে নতুন বছরের স্নিগ্ধ সকালটি উপভোগ করার পাশাপাশি এদেশের মানুষের আতিথেয়তা আপনাকে মুগ্ধ করবে।
ইংরেজি নববর্ষের এই দিনটি সবার জীবনে শান্তি, সমৃদ্ধি এবং সাফল্য নিয়ে আসুক—এই প্রত্যাশায় বাংলাদেশ তৈরি হচ্ছে 2026 সালকে স্বাগত জানাতে। আর মাত্র 0 দিন পরেই সেই শুভ মুহূর্ত আসবে। শুভ নববর্ষ!
Common questions about New Year's Day in Bangladesh
২০২৬ সালে ইংরেজি নববর্ষ January 1, 2026, Thursday পালিত হবে। আজকের দিন (৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫) থেকে এই উৎসবের মাত্র 0 দিন বাকি রয়েছে। এটি গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী নতুন বছরের প্রথম দিন হিসেবে বিশ্বব্যাপী পালিত হয়।
হ্যাঁ, বাংলাদেশে ১লা জানুয়ারি একটি সরকারি সাধারণ ছুটি হিসেবে গণ্য করা হয়। এই দিনে দেশের সকল সরকারি ও আধা-সরকারি অফিস, ব্যাংক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। যদিও এটি পহেলা বৈশাখের মতো বড় কোনো সাংস্কৃতিক উৎসব নয়, তবুও প্রশাসনিক ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বের কারণে এটি জাতীয় ক্যালেন্ডারে ছুটির দিন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
বাংলাদেশে ইংরেজি নববর্ষ মূলত প্রশাসনিক এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্ব বহন করে। এটি একটি ধর্মীয় নিরপেক্ষ উৎসব যা গ্রেগরীয় ক্যালেন্ডার অনুসরণে পালিত হয়। যদিও বাংলাদেশের নিজস্ব সংস্কৃতিতে পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষের গভীরতা বেশি, তবুও বিশ্বায়নের প্রভাবে শহর অঞ্চলে ১লা জানুয়ারি উদযাপনের প্রচলন বেড়েছে। এটি মূলত নতুন বছরের শুরুকে স্বাগত জানানোর একটি আনুষ্ঠানিক দিন।
বাংলাদেশের মানুষ এই দিনটি বেশ শান্তভাবে এবং ঘরোয়া পরিবেশে উদযাপন করে। অনেকে পরিবারের সাথে সময় কাটান বা বন্ধু-বান্ধবের সাথে পুনর্মিলনী করেন। ঢাকা বা চট্টগ্রামের মতো বড় শহরগুলোতে কিছু হোটেল এবং ক্লাবে ঘরোয়া অনুষ্ঠান বা আতশবাজি দেখা যায়। তবে পহেলা বৈশাখের মতো কোনো বড় জাতীয় শোভাযাত্রা বা মঙ্গল শোভাযাত্রা এই দিনে আয়োজিত হয় না।
ইংরেজি নববর্ষ বা ১লা জানুয়ারি গ্রেগরীয় ক্যালেন্ডার অনুযায়ী পালিত হয় এবং এটি মূলত একটি বৈশ্বিক ও প্রশাসনিক দিবস। অন্যদিকে, ১৪ই এপ্রিল পালিত বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ বাংলাদেশের প্রধান সাংস্কৃতিক উৎসব। পহেলা বৈশাখে পান্তা-ইলিশ খাওয়া, মেলা এবং বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মতো অনেক ঐতিহ্যবাহী রীতি থাকলেও ১লা জানুয়ারিতে এমন কোনো নির্দিষ্ট স্থানীয় ঐতিহ্য নেই।
পর্যটকদের জন্য ১লা জানুয়ারি ভ্রমণে কোনো বিশেষ বাধা নেই। গণপরিবহন এবং রাস্তাঘাট স্বাভাবিক থাকে, তবে সরকারি অফিস ও ব্যাংক বন্ধ থাকায় দাপ্তরিক কাজ করা সম্ভব হয় না। ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং অন্যান্য জরুরি সেবা সচল থাকে। পর্যটকরা চাইলে বড় হোটেলগুলোর বিশেষ ডিনার বা ছোটখাটো অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন।
ইংরেজি নববর্ষ পালনে বাংলাদেশে কোনো নির্দিষ্ট পোশাক বা খাবারের বাধ্যবাধকতা নেই। মানুষ সাধারণত মার্জিত এবং সাধারণ পোশাক পরিধান করে। পহেলা বৈশাখে যেমন লাল-সাদা পোশাকের ঐতিহ্য রয়েছে, ১লা জানুয়ারিতে তেমন কিছু নেই। তবে অনেকে ঘরে ভালো খাবারের আয়োজন করেন বা বাইরে রেস্টুরেন্টে খেতে পছন্দ করেন।
বাংলাদেশে মদ্যপান সংক্রান্ত কঠোর আইন রয়েছে, তাই নববর্ষের আনন্দ উদযাপনে জনসমক্ষে মদ্যপান থেকে বিরত থাকা উচিত। এছাড়া বড় শহরগুলোতে থার্টি ফার্স্ট নাইটে নিরাপত্তার স্বার্থে চলাচলে কিছু বিধিনিষেধ থাকতে পারে, তবে ১লা জানুয়ারি দিনটি বেশ নিরিবিলি থাকে। স্থানীয় সংস্কৃতি ও ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে শালীন আচরণ বজায় রাখা বাঞ্ছনীয়।
New Year's Day dates in Bangladesh from 2010 to 2025
| Year | Day of Week | Date |
|---|---|---|
| 2025 | Wednesday | January 1, 2025 |
| 2024 | Monday | January 1, 2024 |
| 2023 | Sunday | January 1, 2023 |
| 2022 | Saturday | January 1, 2022 |
| 2021 | Friday | January 1, 2021 |
| 2020 | Wednesday | January 1, 2020 |
| 2019 | Tuesday | January 1, 2019 |
| 2018 | Monday | January 1, 2018 |
| 2017 | Sunday | January 1, 2017 |
| 2016 | Friday | January 1, 2016 |
| 2015 | Thursday | January 1, 2015 |
| 2014 | Wednesday | January 1, 2014 |
| 2013 | Tuesday | January 1, 2013 |
| 2012 | Sunday | January 1, 2012 |
| 2011 | Saturday | January 1, 2011 |
| 2010 | Friday | January 1, 2010 |
Note: Holiday dates may vary. Some holidays follow lunar calendars or have different observance dates. Purple indicates weekends.