Holiday Details
- Holiday Name
- Easter Day
- Country
- Bangladesh
- Date
- April 5, 2026
- Day of Week
- Sunday
- Status
- 92 days away
- Weekend
- Falls on weekend
- About this Holiday
- Easter Sunday commemorates Jesus Christ’s resurrection, according to Christian belief.
Bangladesh • April 5, 2026 • Sunday
Also known as: ইস্টার সানডে
বাংলাদেশে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং পবিত্র ধর্মীয় উৎসব হলো 'ইস্টার সানডে' বা পুনরুত্থান রবিবার। এটি যিশু খ্রিস্টের ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার তিন দিন পর মৃত অবস্থা থেকে পুনরুত্থানের স্মৃতিকে স্মরণ করে পালন করা হয়। যদিও বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ, তবুও এদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির আবহে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে এই দিনটি উদযাপন করেন। ইস্টার কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি অন্ধকার থেকে আলোতে আসার এবং মৃত্যুঞ্জয়ী জীবনের প্রতীক।
ইস্টারের মূল শিক্ষা হলো আশাবাদ। খ্রিস্টীয় বিশ্বাস অনুসারে, যিশু খ্রিস্টের পুনরুত্থান প্রমাণ করে যে পাপ এবং মৃত্যুর ওপর সত্য ও জীবনের জয় অবধারিত। বাংলাদেশের খ্রিস্টান পরিবারগুলোতে এই দিনটি আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে। দীর্ঘ চল্লিশ দিনের উপবাস ও সংযমের কাল (যাকে 'লেন্ট' বলা হয়) শেষে এই দিনটি উৎসবের আমেজ নিয়ে হাজির হয়। গির্জাগুলোতে বিশেষ প্রার্থনা, আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে যাতায়াত এবং বিশেষ খাবারের আয়োজনের মাধ্যমে দিনটি উদযাপিত হয়।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ইস্টার সানডে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। দেশের আটটি ডায়োসিস বা ধর্মপ্রদেশের অধীনে থাকা ক্যাথলিক এবং প্রোটেস্ট্যান্ট উভয় মণ্ডলীর অনুসারীরাই এই দিনে ঐক্যবদ্ধ হন। ঢাকার রমনা ক্যাথেড্রাল থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রাম্য গির্জা পর্যন্ত সর্বত্রই সাজ সাজ রব পড়ে যায়। মোমবাতির আলো, স্তোত্র পাঠ এবং সম্মিলিত প্রার্থনায় মুখরিত হয়ে ওঠে প্রতিটি উপাসনালয়।
খ্রিস্টীয় পঞ্জিকা এবং চন্দ্রবর্ষের হিসাব অনুযায়ী প্রতি বছর ইস্টারের তারিখ পরিবর্তিত হয়। এটি একটি পরিবর্তনশীল তারিখের উৎসব। সাধারণত ২১শে মার্চের পর প্রথম পূর্ণিমার পরবর্তী রবিবারে ইস্টার পালিত হয়।
2026 সালে বাংলাদেশে ইস্টার সানডের সময়সূচী নিচে দেওয়া হলো:
তারিখ: April 5, 2026 বার: Sunday অবশিষ্ট সময়: আর মাত্র 92 দিন বাকি।
ইস্টারের তারিখটি প্রতি বছর পরিবর্তিত হয় কারণ এটি চন্দ্রচক্রের ওপর নির্ভর করে। তবে এটি সবসময় রবিবারেই পালিত হয়। এই দিনের আগে 'গুড ফ্রাইডে' বা পুণ্য শুক্রবার পালন করা হয়, যা যিশুর আত্মত্যাগের দিন।
ইস্টারের ইতিহাস খ্রিস্টধর্মের সূচনালগ্ন থেকেই অত্যন্ত গভীর। বাইবেলের বর্ণনা অনুযায়ী, যিশু খ্রিস্টকে যখন ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করা হয়, তখন তাঁর অনুসারীরা শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু তিন দিন পর রবিবারের ভোরে যখন তাঁর কবরের কাছে যাওয়া হয়, তখন দেখা যায় পাথর সরানো এবং কবর শূন্য। স্বর্গদূতরা ঘোষণা করেন যে তিনি পুনরুত্থিত হয়েছেন। এই অলৌকিক ঘটনাই খ্রিস্টধর্মের মূল ভিত্তি।
বাংলাদেশে খ্রিস্টধর্মের প্রচার শুরু হয়েছিল পর্তুগিজ মিশনারিদের আগমনের মাধ্যমে। সেই থেকে আজ পর্যন্ত বাঙালি খ্রিস্টানরা তাদের নিজস্ব সংস্কৃতির সাথে ধর্মীয় ঐতিহ্যের সমন্বয় ঘটিয়ে ইস্টার পালন করে আসছেন। এই দিনটি পাপ থেকে মুক্তি এবং নতুন জীবনের সূচনার প্রতিশ্রুতি দেয়। খ্রিস্টান ধর্মতত্ত্ব অনুযায়ী, যদি যিশু পুনরুত্থিত না হতেন, তবে তাঁদের বিশ্বাস অর্থহীন হতো। তাই বড়দিনের চেয়েও ধর্মীয় গুরুত্বের দিক থেকে ইস্টারকে অনেক সময় বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়।
বাংলাদেশে ইস্টার সানডে উদযাপনের একটি নিজস্ব ধরন রয়েছে। পাশ্চাত্য দেশগুলোর মতো এখানে কেবল 'ইস্টার এগ' বা 'ইস্টার বানি'র প্রচলন নেই, বরং এখানে ধর্মীয় ও সামাজিক রীতির এক অপূর্ব মিলন ঘটে।
বাংলাদেশের ছুটির তালিকায় ইস্টার সানডের অবস্থান নিয়ে বর্তমানে বেশ আলোচনা চলছে। বর্তমান নিয়মানুযায়ী:
ঐচ্ছিক ছুটি: বাংলাদেশে ইস্টার সানডে বর্তমানে একটি ঐচ্ছিক ছুটি (Optional Holiday) হিসেবে স্বীকৃত। এর অর্থ হলো, এটি বাধ্যতামূলক সাধারণ ছুটি নয়। তবে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সরকারি বা বেসরকারি কর্মচারীরা এই দিনে ছুটি নেওয়ার অধিকার রাখেন।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অফিস: যেহেতু এটি রবিবার পড়ে, তাই সাধারণত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাংক-বীমা খোলা থাকে (যদি না রবিবার সাপ্তাহিক ছুটি হয়)। তবে খ্রিস্টান মিশনারি স্কুল ও কলেজগুলো এই দিনে বন্ধ থাকে।
ছুটির দাবি ও বর্তমান প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশের খ্রিস্টান সম্প্রদায় দীর্ঘ দিন ধরে ইস্টার সানডেকে সাধারণ বা বাধ্যতামূলক সরকারি ছুটি হিসেবে ঘোষণার দাবি জানিয়ে আসছে। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে 'ইউনাইটেড চার্চ কাউন্সিল অব বাংলাদেশ', ক্যাথলিক বিশপ কনফারেন্স এবং বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে এই দাবি উত্থাপন করে। তাদের যুক্তি হলো, বাংলাদেশের বৃহত্তম ধর্মীয় সংখ্যালঘু হিসেবে মুসলিমরা ১২ দিন এবং হিন্দুরা ৩ দিনের সাধারণ ছুটি পেলেও খ্রিস্টানরা তাদের প্রধান ধর্মীয় উৎসবের জন্য মাত্র একদিন (বড়দিন) সাধারণ ছুটি পায়। ইস্টার সানডে যেহেতু খ্রিস্টধর্মের প্রধানতম উৎসব, তাই তারা এটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পূর্ণ ছুটির দিন হিসেবে দেখতে চান।
এই বিষয়টি বর্তমানে বাংলাদেশের ধর্মীয় অন্তর্ভুক্তি এবং সংখ্যালঘু অধিকার রক্ষার আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আপনি যদি 2026 সালে বাংলাদেশে ইস্টার সানডে পর্যবেক্ষণের পরিকল্পনা করেন, তবে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:
যাতায়াত: যেহেতু এটি একটি ঐচ্ছিক ছুটি এবং রবিবার একটি কর্মদিবস, তাই ঢাকা বা চট্টগ্রামের মতো বড় শহরগুলোতে যানজট স্বাভাবিক থাকতে পারে। গির্জার আশেপাশে ভিড় এড়াতে আগেভাগে রওনা হওয়াই ভালো। গির্জার সময়সূচী: ঢাকার রমনা ক্যাথেড্রাল, হলি রোজারি চার্চ (তেজগাঁও) বা সেন্ট মেরিস ক্যাথেড্রালের মতো বড় গির্জাগুলোতে সকাল থেকে কয়েক দফায় প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত সকাল ৭টা থেকে ১০টার মধ্যে প্রধান প্রার্থনাগুলো সম্পন্ন হয়। পোশাক-আশাক: এটি একটি ধর্মীয় উৎসব হওয়ায় মার্জিত এবং উৎসবমুখর পোশাক পরাই বাঞ্ছনীয়। অনেক নারী এদিনে সাদা শাড়ি পরেন যা পবিত্রতার প্রতীক।
ইস্টার সানডে বাংলাদেশে কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি এদেশের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। যদিও খ্রিস্টানরা এদেশের জনসংখ্যার ক্ষুদ্র একটি অংশ (প্রায় ০.৪%), তবুও তাদের উৎসবের আবেদন অনেক ব্যাপক। যিশুর পুনরুত্থানের এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, যত বড় অন্ধকারই আসুক না কেন, শেষ পর্যন্ত আলোর জয় নিশ্চিত। 2026 সালের April 5, 2026 তারিখে বাংলাদেশে যে ইস্টার পালিত হবে, তা যেন সবার জীবনে শান্তি, সহমর্মিতা এবং নতুন আশার আলো নিয়ে আসে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ইস্টারের পূর্ণ সরকারি ছুটির দাবিটি একটি বৃহত্তর সামাজিক ও রাজনৈতিক আলোচনার বিষয়, যা ভবিষ্যতে দেশের ধর্মীয় সমতা ও বৈচিত্র্যকে আরও সুসংহত করবে বলে আশা করা যায়। ততক্ষণ পর্যন্ত, প্রতিটি খ্রিস্টান পরিবার এবং তাদের প্রতিবেশীদের জন্য ইস্টার বয়ে আনুক অপার আনন্দ। শুভ ইস্টার
Common questions about Easter Day in Bangladesh
২০২৬ সালে বাংলাদেশে ইস্টার সানডে April 5, 2026, Sunday তারিখে পালিত হবে। এই বিশেষ দিনটি আসতে আর মাত্র 92 দিন বাকি রয়েছে। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের কাছে এটি অত্যন্ত পবিত্র এবং আনন্দের একটি দিন, যা যিশু খ্রিস্টের পুনরুত্থানকে স্মরণ করে পালন করা হয়।
না, বাংলাদেশে ইস্টার সানডে একটি বাধ্যতামূলক জাতীয় সাধারণ ছুটি নয়। এটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের জন্য একটি 'ঐচ্ছিক ছুটি' হিসেবে বিবেচিত হয়। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এই দেশে খ্রিস্টান সম্প্রদায় একটি ক্ষুদ্র সংখ্যালঘু হওয়ায় সাধারণ সরকারি ক্যালেন্ডারে এটি নিয়মিত ছুটি থাকে না। তবে খ্রিস্টান সরকারি ও বেসরকারি চাকুরিজীবীরা এই দিনে ছুটি ভোগ করতে পারেন। বর্তমানে বাংলাদেশের খ্রিস্টান নেতৃবৃন্দ ইস্টার সানডেকে পূর্ণাঙ্গ সরকারি ছুটি হিসেবে ঘোষণা করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে আসছেন।
ইস্টার বা পুনরুত্থান পার্বণ খ্রিস্টান ধর্মের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব। এটি যিশু খ্রিস্টের ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার তিন দিন পর মৃত অবস্থা থেকে পুনরুত্থানকে উদযাপন করে। বাংলাদেশের খ্রিস্টানদের কাছে এটি পাপের ওপর পুণ্যের এবং মৃত্যুর ওপর জীবনের জয়ের প্রতীক। খ্রিস্টান বিশ্বাসের ভিত্তি এই পুনরুত্থানের ওপর প্রতিষ্ঠিত, তাই বড়দিনের চেয়েও ধর্মীয়ভাবে এই দিনটির গুরুত্ব অনেক বেশি। এই দিনে বিশেষ উপাসনার মাধ্যমে যিশুর ত্যাগ ও মহিমাকে স্মরণ করা হয়।
বাংলাদেশে ইস্টার সানডে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দের সাথে পালিত হয়। দিনের শুরুতে দেশের আটটি ডায়োসিসের গির্জাগুলোতে বিশেষ প্রার্থনা সভা বা 'ম্যাস' অনুষ্ঠিত হয়। খ্রিস্টান পরিবারগুলো ভোরে গির্জায় গিয়ে প্রার্থনায় অংশ নেয়। এরপর তারা একে অপরের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করে এবং বাড়িতে ভালো খাবারের আয়োজন করে। আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের সাথে মিলিত হওয়া এবং ধর্মীয় গান গাওয়ার মাধ্যমে দিনটি অতিবাহিত হয়। অনেক জায়গায় বিশেষ সেমিনার বা ধর্মীয় আলোচনার আয়োজনও করা হয়।
বাংলাদেশে ইস্টার উদযাপনে দেশীয় সংস্কৃতির ছোঁয়া থাকে। পরিবারগুলোতে বিশেষ পোলাও, মাংস এবং পিঠা-পুলি তৈরি করা হয়। যদিও পশ্চিমা দেশে ইস্টার এগ বা চকোলেট ডিমের প্রচলন বেশি, বাংলাদেশে শহরভিত্তিক কিছু খ্রিস্টান পরিবারে এই ঐতিহ্য দেখা যায়। গির্জাগুলোতে বিশেষ রুটি বা খাবার বিতরণ করা হতে পারে। মূলত বাঙালি সংস্কৃতির সাথে মিশে গিয়ে এই ধর্মীয় উৎসবটি একটি সামাজিক মিলনমেলায় পরিণত হয়, যেখানে সবাই মিলে আনন্দ ভাগ করে নেয়।
যেহেতু ইস্টার সানডে একটি ঐচ্ছিক ছুটি এবং এটি সবসময় রবিবারে পড়ে, তাই অধিকাংশ সরকারি অফিস এমনিতেই সাপ্তাহিক ছুটিতে থাকে। তবে বেসরকারি অফিস, ব্যাংক এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত খোলা থাকে। শুধুমাত্র খ্রিস্টান পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাগুলো এই দিনে বন্ধ থাকতে পারে। খ্রিস্টান কর্মীরা আগে থেকে আবেদন করলে এই দিনে ছুটি পেতে পারেন। পর্যটক বা সাধারণ মানুষের জন্য যাতায়াত বা কেনাকাটায় কোনো প্রভাব পড়ে না।
আপনি যদি এই সময়ে বাংলাদেশ ভ্রমণ করেন এবং খ্রিস্টান ধর্মীয় ঐতিহ্য দেখতে চান, তবে ঢাকার রমনা ক্যাথেড্রাল বা তেজগাঁও গির্জার মতো বড় গির্জাগুলো পরিদর্শন করতে পারেন। প্রার্থনা চলাকালীন গির্জার ভেতরে নীরবতা বজায় রাখা এবং ছবি তোলার ক্ষেত্রে অনুমতি নেওয়া বাঞ্ছনীয়। এটি একটি ধর্মীয় উৎসব হওয়ায় মার্জিত পোশাক পরা ভালো। স্থানীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সাথে কথা বললে আপনি তাদের আতিথেয়তা এবং ধর্মীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানতে পারবেন।
বাংলাদেশে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে ইস্টার সানডেকে জাতীয় সাধারণ ছুটি করার জন্য জোরালো দাবি রয়েছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে ইউনাইটেড চার্চ কাউন্সিল অব বাংলাদেশ এবং ক্যাথলিক বিশপ কনফারেন্স অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের কাছে এই দাবি পেশ করেছে। তাদের যুক্তি হলো, যেখানে অন্যান্য ধর্মের প্রধান উৎসবগুলোতে একাধিক দিনের ছুটি থাকে, সেখানে খ্রিস্টানদের প্রধান উৎসবে কোনো সাধারণ ছুটি নেই। এই আলোচনাটি বর্তমানে বাংলাদেশে ধর্মীয় অন্তর্ভুক্তি এবং সংখ্যালঘু অধিকারের প্রশ্নে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
Easter Day dates in Bangladesh from 2010 to 2025
| Year | Day of Week | Date |
|---|---|---|
| 2025 | Sunday | April 20, 2025 |
| 2024 | Sunday | March 31, 2024 |
| 2023 | Sunday | April 9, 2023 |
| 2022 | Sunday | April 17, 2022 |
| 2021 | Sunday | April 4, 2021 |
| 2020 | Sunday | April 12, 2020 |
| 2019 | Sunday | April 21, 2019 |
| 2018 | Sunday | April 1, 2018 |
| 2017 | Sunday | April 16, 2017 |
| 2016 | Sunday | March 27, 2016 |
| 2015 | Sunday | April 5, 2015 |
| 2014 | Sunday | April 20, 2014 |
| 2013 | Sunday | March 31, 2013 |
| 2012 | Sunday | April 8, 2012 |
| 2011 | Sunday | April 24, 2011 |
| 2010 | Sunday | April 4, 2010 |
Note: Holiday dates may vary. Some holidays follow lunar calendars or have different observance dates. Purple indicates weekends.