Holy Saturday

Bangladesh • April 4, 2026 • Saturday

91
Days
16
Hours
03
Mins
01
Secs
until Holy Saturday
Asia/Dhaka timezone

Holiday Details

Holiday Name
Holy Saturday
Country
Bangladesh
Date
April 4, 2026
Day of Week
Saturday
Status
91 days away
Weekend
Falls on weekend
About this Holiday
Holy Saturday is the day before Easter Sunday.

About Holy Saturday

Also known as: পবিত্র শনিবার

পবিত্র শনিবার (Holy Saturday): বাংলাদেশে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের এক ভাবগম্ভীর দিন

পবিত্র শনিবার বা 'হলি স্যাটারডে' হলো খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং গাম্ভীর্যপূর্ণ দিন। এটি গুড ফ্রাইডে বা পবিত্র শুক্রবারের পরের দিন এবং ইস্টার সানডোর আগের দিন হিসেবে পালিত হয়। বাংলাদেশে বসবাসরত খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের কাছে এই দিনটি নীরবতা, প্রার্থনা এবং গভীর প্রতিক্ষার দিন। বাইবেলের বর্ণনা অনুযায়ী, এই দিনে যিশু খ্রিস্ট ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার পর সমাধিতে শায়িত ছিলেন। এটি এমন একটি সময় যখন পৃথিবী শোকাতুর থাকে এবং একই সঙ্গে এক মহান পুনরুত্থানের আশায় প্রহর গোনে।

বাংলাদেশে এই দিনটি বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পালিত হয়। যদিও বাংলাদেশ একটি মুসলিম প্রধান দেশ, তবে এখানে আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি অত্যন্ত সুদৃঢ়। খ্রিস্টান ধর্মীয় ক্যালেন্ডারে এই দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম কারণ এটি যিশুর ত্যাগ এবং তাঁর বিজয়ের মধ্যবর্তী সেতু হিসেবে কাজ করে। এই দিনটিতে চার্চগুলোতে কোনো জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান হয় না, বরং এক ধরণের আধ্যাত্মিক নিস্তব্ধতা বিরাজ করে যা বিশ্বাসীদের মনে গভীর ভাবনার উদ্রেক করে।

2026 সালে পবিত্র শনিবার কবে?

২০২৬ সালে পবিত্র শনিবার বাংলাদেশে পালিত হবে নিম্নোক্ত সূচি অনুযায়ী:

তারিখ: April 4, 2026 বার: Saturday বাকি দিন: এখন থেকে আর মাত্র 91 দিন বাকি।

পবিত্র শনিবারের তারিখটি প্রতি বছর পরিবর্তিত হয়। এটি মূলত চন্দ্র পঞ্জিকার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়। সাধারণত বসন্তকালীন মহাবিষুবের (Vernal Equinox) পর প্রথম পূর্ণিমার পরবর্তী রবিবার ইস্টার সানডে পালিত হয় এবং তার আগের দিনটিই হলো পবিত্র শনিবার। এই পরিবর্তনশীল তারিখের কারণে প্রতি বছর খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষজন অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ক্যালেন্ডার অনুসরণ করে তাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি গ্রহণ করেন।

পবিত্র শনিবারের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও ধর্মতাত্ত্বিক গুরুত্ব

পবিত্র শনিবারের ইতিহাস খ্রিস্টধর্মের সূচনালগ্ন থেকেই ওতপ্রোতভাবে জড়িত। খ্রিস্টধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, যিশু খ্রিস্টকে শুক্রবার বিকেলে ক্রুশ থেকে নামিয়ে একটি পাথরের সমাধিতে রাখা হয়েছিল। শনিবার দিনটি তিনি সেই সমাধিতেই অতিবাহিত করেন। এই দিনটিকে প্রায়শই 'সমাধির দিন' বলা হয়। ধর্মতাত্ত্বিকভাবে, এটি যিশুর মানবিক যন্ত্রণার চূড়ান্ত পর্যায় এবং মৃত্যুর ওপর তাঁর বিজয়ের পূর্বমুহূর্ত।

বাংলাদেশে ক্যাথলিক এবং প্রোটেস্ট্যান্ট উভয় মন্ডলীই এই দিনটিকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে। যাজকগণ এবং ধর্মীয় নেতারা এই দিনে যিশুর ত্যাগের মহিমা এবং মানবজাতির পরিত্রাণের জন্য তাঁর আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, কষ্টের পরেই সুখ আসে এবং অন্ধকারের পরেই আলোর দেখা মেলে। এটি ধৈর্য এবং বিশ্বাসের এক অনন্য উদাহরণ।

বাংলাদেশে পবিত্র শনিবারের উদযাপন ও রীতিনীতি

বাংলাদেশের খ্রিস্টান পল্লীগুলোতে পবিত্র শনিবারের পরিবেশ থাকে শান্ত ও গম্ভীর। এই দিনে বিশেষ কিছু আচার পালন করা হয় যা নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

১. নীরব প্রার্থনা ও ধ্যান

এই দিনে চার্চগুলোতে কোনো বাদ্যযন্ত্র বাজানো হয় না। বিশ্বাসীরা ব্যক্তিগতভাবে বা সপরিবারে চার্চে গিয়ে প্রার্থনা করেন। তারা যিশুর সমাধিকালীন অবস্থার কথা চিন্তা করে নিজেদের পাপের জন্য অনুশোচনা করেন এবং আধ্যাত্মিক শুদ্ধি কামনা করেন। বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলের চার্চগুলোতে এই দৃশ্য অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী।

২. ইস্টার ভিজিল (Easter Vigil)

শনিবার সন্ধ্যার পর বা গভীর রাতে অনেক চার্চে 'ইস্টার ভিজিল' বা জাগরণী প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। এটি খ্রিস্টীয় লিটার্জির সবচেয়ে সুন্দর এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি। এই অনুষ্ঠানে অন্ধকার চার্চে মোমবাতি জ্বালিয়ে আলোর প্রবেশ ঘটানো হয়, যা যিশুর পুনরুত্থান এবং অন্ধকারের ওপর আলোর বিজয়ের প্রতীক। বাংলাদেশে এই মোমবাতি মিছিল বা 'আলোর উৎসব' অত্যন্ত ভক্তির সাথে পালন করা হয়।

৩. উপবাস ও সংযম

অনেক ধর্মপ্রাণ খ্রিস্টান এই দিনে উপবাস পালন করেন। গুড ফ্রাইডে থেকে শুরু হওয়া উপবাস অনেকে ইস্টার সানডোর সকাল পর্যন্ত দীর্ঘায়িত করেন। তারা এই সময়ে আমিষ জাতীয় খাবার বর্জন করেন এবং ত্যাগের মানসিকতা বজায় রাখেন।

৪. ঘরবাড়ি পরিষ্কার ও প্রস্তুতি

পবিত্র শনিবারের বিকেলে বাংলাদেশের খ্রিস্টান পরিবারগুলো তাদের ঘরবাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে। কারণ পরের দিনই ইস্টার সানডে বা পুনরুত্থান পরব। এটি আনন্দের দিন, তাই আগের দিন থেকেই রান্নাবান্না এবং নতুন পোশাকের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। তবে শনিবারের সূর্যাস্ত পর্যন্ত পরিবেশ গাম্ভীর্যপূর্ণই থাকে।

বাংলাদেশের সামাজিক প্রেক্ষাপটে পবিত্র শনিবার

বাংলাদেশ একটি বৈচিত্র্যময় দেশ। এখানে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ একে অপরের উৎসবকে শ্রদ্ধা করে। পবিত্র শনিবার যদিও প্রধানত খ্রিস্টানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান, তবে এর প্রভাব স্থানীয় অর্থনীতি এবং সামাজিক জীবনেও পড়ে। বিশেষ করে ঢাকা, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল এবং পাবনার মতো জেলাগুলোতে যেখানে খ্রিস্টান জনসংখ্যা বেশি, সেখানে এই দিনটির বিশেষ আমেজ লক্ষ্য করা যায়।

এই দিনে খ্রিস্টান মিশনারি স্কুল, কলেজ এবং হাসপাতালগুলোতে এক ধরণের প্রশান্তি বিরাজ করে। অনেক ক্ষেত্রে অখ্রিস্টান বন্ধুরাও তাদের খ্রিস্টান প্রতিবেশীদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং আগাম ইস্টারের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এটি বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ।

বাংলাদেশে কি এটি সরকারি ছুটির দিন?

বাংলাদেশে পবিত্র শনিবার একটি ঐচ্ছিক ছুটি (Optional Holiday) হিসেবে গণ্য হয়। এর অর্থ হলো:

সরকারি অফিস-আদালত: এটি সাধারণ বা জাতীয় ছুটির দিন নয়, তাই সকল সরকারি অফিস, ব্যাংক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সাধারণত খোলা থাকে। ব্যক্তিগত ছুটি: খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী চাকুরিজীবীরা তাদের প্রধানদের অনুমতি সাপেক্ষে এই দিনে ঐচ্ছিক ছুটি গ্রহণ করতে পারেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: খ্রিস্টান মিশনারি পরিচালিত স্কুল এবং কলেজগুলো সাধারণত এই দিনে বন্ধ থাকে অথবা সেখানে অর্ধদিবস কার্যক্রম চলে।

  • ব্যবসা-বাণিজ্য: সাধারণ বাজার বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেও খ্রিস্টান মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো এই দিনে বন্ধ থাকতে পারে বা সীমিত পরিসরে কাজ চালায়।
২০২৬ সালের ইস্টার পঞ্জিকা অনুযায়ী, ৩রা এপ্রিল গুড ফ্রাইডে, ৪ঠা এপ্রিল পবিত্র শনিবার এবং ৬ই এপ্রিল ইস্টার মানডে—এই দিনগুলো বাংলাদেশে ঐচ্ছিক ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত।

পবিত্র শনিবারের আধ্যাত্মিক শিক্ষা

পবিত্র শনিবার আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সত্য শিক্ষা দেয়—তা হলো 'অপেক্ষা'। যিশুর শিষ্যরা যখন হতাশায় নিমজ্জিত ছিলেন, তখন এই শনিবারটি ছিল তাদের জন্য চরম পরীক্ষার সময়। ঠিক তেমনি মানুষের জীবনেও যখন অন্ধকার নেমে আসে, তখন ধৈর্য ধরে রাখা এবং ঈশ্বরের ওপর বিশ্বাস রাখাই হলো আসল পরীক্ষা।

বাংলাদেশে এই দিনটি পালনের মাধ্যমে বিশ্বাসীরা নিজেদের পুনর্গঠন করার সুযোগ পান। তারা তাদের ভুলত্রুটিগুলো সংশোধন করে নতুন জীবনের শপথ নেন। এই দিনের নীরবতা আসলে পরবর্তী দিনের মহানন্দের ভিত্তি তৈরি করে।

উপসংহার

পবিত্র শনিবার বা হলি স্যাটারডে বাংলাদেশের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জন্য কেবল একটি ক্যালেন্ডারের দিন নয়, বরং এটি তাদের বিশ্বাসের এক গভীর প্রতিফলন। April 4, 2026 তারিখে যখন এই দিনটি পালিত হবে, তখন বাংলাদেশের প্রতিটি চার্চ এবং খ্রিস্টান পরিবারে যিশুর ত্যাগের মহিমা প্রতিধ্বনিত হবে। যদিও এটি একটি ঐচ্ছিক ছুটি, কিন্তু এর ধর্মীয় এবং সামাজিক গুরুত্ব অপরিসীম। এই দিনটি আমাদের শেখায় যে, শোকের রাত্রি যতই দীর্ঘ হোক না কেন, আনন্দের সকাল অবশ্যই আসবে।

বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে পবিত্র শনিবার আমাদের সকলকে সহনশীলতা, ধৈর্য এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের শিক্ষা দেয়। এই গাম্ভীর্যপূর্ণ দিনটি পালনের মাধ্যমেই আমরা আগামীকালের আনন্দময় ইস্টার সানডোর জন্য নিজেদের প্রস্তুত করি।

Frequently Asked Questions

Common questions about Holy Saturday in Bangladesh

বাংলাদেশে ২০২৬ সালে পবিত্র শনিবার Saturday, April 4, 2026-এ পালিত হবে। এই বিশেষ দিনটি আসতে আর মাত্র 91 দিন বাকি রয়েছে। খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিন যা গুড ফ্রাইডে এবং ইস্টার সানডের মধ্যবর্তী সময়ে উদযাপিত হয়।

না, পবিত্র শনিবার বাংলাদেশে কোনো জাতীয় সাধারণ বা পাবলিক ছুটি নয়। এটি একটি ঐচ্ছিক ছুটি (Optional Holiday) হিসেবে গণ্য করা হয়। এর অর্থ হলো, সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী কর্মীরা চাইলে এই দিনে ছুটি নিতে পারেন, তবে দেশজুড়ে সমস্ত অফিস বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ থাকে না।

পবিত্র শনিবার হলো খ্রিস্টান ধর্মতত্ত্ব অনুযায়ী যিশু খ্রিস্টের ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার পর সমাধিতে শায়িত থাকার দিন। এটি গুড ফ্রাইডেতে তাঁর আত্মত্যাগ এবং ইস্টার সানডেতে তাঁর পুনরুত্থানের মধ্যবর্তী একটি গভীর শোক, নীরবতা এবং আধ্যাত্মিক প্রস্তুতির সময়। বিশ্বাসীরা এই দিনে যিশুর মৃত্যুর কথা স্মরণ করে এবং তাঁর পুনরুত্থানের আগাম আনন্দ ও প্রত্যাশার জন্য অপেক্ষা করে।

বাংলাদেশের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ এই দিনে গির্জায় বিশেষ প্রার্থনা সভা এবং বাইবেল পাঠের আয়োজন করেন। দিনটি অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পালন করা হয়। অনেক জায়গায় বিশেষ 'ইস্টার ভিজিল' বা রাত্রিকালীন জাগরণ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে মোমবাতি জ্বালিয়ে এবং প্রার্থনার মাধ্যমে যিশুর পুনরুত্থানের ক্ষণটির জন্য অপেক্ষা করা হয়। এটি মূলত একটি নীরব ধ্যানের দিন।

২০২৬ সালে পবিত্র শনিবার একটি বৃহত্তর ধর্মীয় উৎসবের অংশ। এর আগের দিন অর্থাৎ ৩রা এপ্রিল গুড ফ্রাইডে এবং পরের দিন অর্থাৎ ৫ই এপ্রিল ইস্টার সানডে পালিত হবে। এছাড়া ৬ই এপ্রিল ইস্টার মানডে পালিত হবে। বাংলাদেশে এই পুরো সময়টি খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, যা যিশুর মৃত্যু থেকে পুনরুত্থান পর্যন্ত ঘটনাপ্রবাহকে ফুটিয়ে তোলে।

যেহেতু এটি একটি ঐচ্ছিক ছুটি, তাই দেশব্যাপী ব্যবসা-বাণিজ্য বা গণপরিবহনে তেমন কোনো বড় প্রভাব পড়ে না। তবে যেসব এলাকায় খ্রিস্টান জনসংখ্যা বেশি, সেখানে স্থানীয়ভাবে কিছু দোকানপাট বন্ধ থাকতে পারে বা সামাজিক কার্যক্রমে পরিবর্তন আসতে পারে। সরকারি অফিস এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত তাদের রুটিন অনুযায়ী খোলা থাকে, যদি না কোনো কর্মী ব্যক্তিগতভাবে ঐচ্ছিক ছুটি গ্রহণ করেন।

যদি কোনো পর্যটক এই সময়ে বাংলাদেশে থাকেন, তবে তিনি গির্জাগুলোর শান্ত ও আধ্যাত্মিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। তবে মনে রাখতে হবে এটি একটি শোক ও নীরব প্রার্থনার দিন, তাই গির্জার ভেতরে ছবি তোলা বা উচ্চ শব্দ করা থেকে বিরত থাকা উচিত। স্থানীয় খ্রিস্টান পাড়াগুলোতে গেলে তাদের ধর্মীয় রীতিনীতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা জরুরি। এটি মূলত বড় কোনো উৎসবের চেয়েও একটি গম্ভীর ধর্মীয় আচার।

বাংলাদেশে পবিত্র শনিবারের জন্য নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ খাবারের প্রথা নেই, তবে অনেক পরিবার ইস্টার সানডের বড় উৎসবের জন্য রান্নাবান্নার প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। দিনটি যেহেতু শোকের, তাই অনেকে সাধারণ নিরামিষ বা হালকা খাবার গ্রহণ করেন। গির্জাগুলোতে আগুনের আশীর্বাদ এবং পবিত্র জল ছিটিয়ে দেওয়ার মতো কিছু প্রাচীন ধর্মীয় আচার পালন করা হয়, যা নতুন জীবনের প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়।

Historical Dates

Holy Saturday dates in Bangladesh from 2010 to 2025

Year Day of Week Date
2025 Saturday April 19, 2025
2024 Saturday March 30, 2024
2023 Saturday April 8, 2023
2022 Saturday April 16, 2022
2021 Saturday April 3, 2021
2020 Saturday April 11, 2020
2019 Saturday April 20, 2019
2018 Saturday March 31, 2018
2017 Saturday April 15, 2017
2016 Saturday March 26, 2016
2015 Saturday April 4, 2015
2014 Saturday April 19, 2014
2013 Saturday March 30, 2013
2012 Saturday April 7, 2012
2011 Saturday April 23, 2011
2010 Saturday April 3, 2010

Note: Holiday dates may vary. Some holidays follow lunar calendars or have different observance dates. Purple indicates weekends.