Holiday Details
- Holiday Name
- Good Friday
- Country
- Bangladesh
- Date
- April 3, 2026
- Day of Week
- Friday
- Status
- 90 days away
- About this Holiday
- Good Friday is a global Christian observance two days before Easter Sunday.
Bangladesh • April 3, 2026 • Friday
Also known as: গুড ফ্রাইডে
গুড ফ্রাইডে বা 'পবিত্র শুক্রবার' বাংলাদেশের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জন্য বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ দিনগুলোর মধ্যে একটি। এটি মূলত যিশু খ্রিস্টের ক্রুশবিদ্ধ হওয়া এবং কালভারি পাহাড়ে তাঁর আত্মত্যাগের স্মরণে পালিত হয়। বাংলাদেশের মতো একটি মুসলিম প্রধান দেশে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা সংখ্যালঘু হলেও, তাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও নিষ্ঠার সাথে পালিত হয়। গুড ফ্রাইডে কোনো উৎসবের দিন নয়, বরং এটি গভীর শোক, প্রার্থনা এবং আত্মোপলব্ধির দিন।
এই দিনটির বিশেষত্ব হলো এর নীরবতা এবং ত্যাগের মহিমা। খ্রিস্টান ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, মানবজাতির পাপ মোচনের জন্য যিশু খ্রিস্ট স্বেচ্ছায় নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। বাংলাদেশের গির্জাগুলোতে এই দিনে কোনো ঘণ্টা বাজানো হয় না, কোনো বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার থাকে না। পরিবর্তে, এক শান্ত ও গম্ভীর পরিবেশে যিশুর কষ্টের কথা স্মরণ করা হয়। ঢাকার হোলি রোজারি চার্চ থেকে শুরু করে বরিশাল বা চাটমোহরের প্রত্যন্ত গ্রামের ছোট গির্জা—সবখানেই একই ধরনের আধ্যাত্মিক পরিবেশ বিরাজ করে। এটি এমন একটি দিন যা আমাদের ক্ষমা, সহ্যশক্তি এবং নিঃস্বার্থ ভালোবাসার শিক্ষা দেয়।
২০২৬ সালে বাংলাদেশে গুড ফ্রাইডে পালিত হবে নিচের সূচি অনুযায়ী:
তারিখ: April 3, 2026 বার: Friday অবশিষ্ট সময়: এই পবিত্র দিনটি আসতে আর মাত্র 90 দিন বাকি।
গুড ফ্রাইডের তারিখটি প্রতি বছর পরিবর্তিত হয় কারণ এটি চন্দ্র ক্যালেন্ডারের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত ইস্টার সানডের ঠিক আগের শুক্রবারে পালিত হয়। এটি একটি পরিবর্তনশীল তারিখের ছুটি, যা সাধারণত মার্চ মাসের শেষ দিকে বা এপ্রিল মাসের শুরুতে পড়ে।
গুড ফ্রাইডের ইতিহাস প্রায় দুই হাজার বছরের পুরনো। বাইবেলের বর্ণনা অনুযায়ী, যিশু খ্রিস্টকে অন্যায়ভাবে বিচার করে ক্রুশবিদ্ধ করার আদেশ দেওয়া হয়েছিল। তাঁকে চাবুক মারা হয়েছিল, মাথায় কাঁটার মুকুট পরানো হয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত নিজের ক্রুশ বহন করে কালভারি পাহাড়ে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল। সেখানে তাঁকে দুই চোরের মাঝখানে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়। দুপুর থেকে বিকেল তিনটে পর্যন্ত পৃথিবী অন্ধকারে ঢাকা ছিল এবং ঠিক তিনটের সময় যিশু শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
এই দিনটিকে কেন 'গুড' বা 'শুভ' বলা হয়, তা নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে। খ্রিস্টীয় ধর্মতত্ত্ব অনুযায়ী, যিশুর এই মৃত্যু ছিল শয়তান ও পাপের ওপর চূড়ান্ত বিজয়। তাঁর আত্মত্যাগের মাধ্যমেই মানুষের জন্য স্বর্গের পথ প্রশস্ত হয়েছে বলে বিশ্বাস করা হয়। তাই এই মৃত্যুকে শোকের পাশাপাশি 'শুভ' বা কল্যাণকর হিসেবে দেখা হয়, কারণ এটিই শেষ পর্যন্ত পুনরুত্থান বা ইস্টার সানডের পথে নিয়ে যায়। বাংলাদেশে খ্রিস্টানরা এই দিনটিকে 'পবিত্র শুক্রবার' বা 'দুঃখের শুক্রবার' হিসেবেও অভিহিত করেন।
বাংলাদেশে গুড ফ্রাইডে পালনের ধরন অত্যন্ত ব্যক্তিগত এবং আধ্যাত্মিক। এই দিনে কোনো জাঁকজমকপূর্ণ শোভাযাত্রা বা আলোকসজ্জা থাকে না।
১. বিশেষ গির্জা সেবা: দিনটির প্রধান আকর্ষণ হলো গির্জার বিশেষ প্রার্থনা। সাধারণত দুপুর ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত এই বিশেষ সেবা চলে, যা 'থ্রি আওয়ার্স অ্যাগনি' (Three Hours' Agony) নামে পরিচিত। এই সময়ে যিশুর ক্রুশবিদ্ধ অবস্থায় বলা শেষ সাতটি বাণীর ওপর ভিত্তি করে উপদেশ দেওয়া হয়। ঢাকার রমনা ক্যাথেড্রাল বা তেজগাঁও চার্চে হাজার হাজার ভক্ত সমবেত হন।
২. ক্রুশের পথ (Stations of the Cross): অনেক গির্জায় 'ক্রুশের পথ' নামক একটি বিশেষ ভক্তি অনুষ্ঠান করা হয়। এতে যিশুর বিচার থেকে শুরু করে কবরে রাখা পর্যন্ত ১৪টি ধাপ বা দৃশ্য স্মরণ করা হয়। ভক্তরা গির্জার ভেতরে বা প্রাঙ্গণে প্রতিটি ধাপের সামনে দাঁড়িয়ে প্রার্থনা করেন এবং যিশুর কষ্টের কথা চিন্তা করে অশ্রু বিসর্জন দেন।
৩. উপবাস ও সংযম: বাংলাদেশের খ্রিস্টানদের মধ্যে এই দিনে উপবাস রাখার দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। অনেকেই সারাদিন নির্জলা উপবাস করেন অথবা কেবল নিরামিষ আহার করেন। মাছ বা মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকা এই দিনে একটি সাধারণ নিয়ম। বিলাসিতা বর্জন করে সাধারণ জীবনযাপনের মাধ্যমে যিশুর কষ্টের সঙ্গে একাত্ম হওয়ার চেষ্টা করা হয়।
৪. নীরবতা ও ধ্যান: এই দিনটিতে খ্রিস্টান পরিবারগুলোতে এক ধরনের পবিত্র নীরবতা বজায় রাখা হয়। রেডিও বা টেলিভিশনে বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান দেখা এড়িয়ে চলা হয়। পরিবারের সদস্যরা একসাথে বসে বাইবেল পাঠ করেন এবং প্রার্থনা করেন। শিশুদের যিশুর আত্মত্যাগের গল্প শোনানো হয়।
বাংলাদেশে খ্রিস্টান জনসংখ্যা মোট জনসংখ্যার মাত্র ০.৩% থেকে ১% হলেও, দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে তাদের অবদান অপরিসীম। গুড ফ্রাইডের সময় এই সম্প্রদায়ের মানুষজন নিজেদের মধ্যে সংহতি প্রকাশ করে। যদিও এটি কোনো জাতীয় উৎসব নয়, তবুও প্রতিবেশী মুসলিম বা হিন্দুরা খ্রিস্টান বন্ধুদের এই বিশেষ দিনের প্রতি শ্রদ্ধা পোষণ করেন। ঢাকার আর্মানিটোলা, লক্ষ্মীবাজার বা মোহাম্মদপুরের খ্রিস্টান কলোনিগুলোতে এই দিনে এক শান্ত পরিবেশ বিরাজ করে।
গ্রামীণ বাংলাদেশে, বিশেষ করে পাবনা, নাটোর বা বান্দরবানের পাহাড়ি এলাকায়, গুড ফ্রাইডে পালনের ধরনে কিছুটা স্থানীয় সংস্কৃতির ছাপ দেখা যায়। অনেক জায়গায় স্থানীয় ভাষায় গান বা কীর্তনের মাধ্যমে যিশুর দুঃখের কাহিনী বর্ণনা করা হয়। তবে মূল সুরটি সবখানেই একই—গভীর শ্রদ্ধা এবং আত্মত্যাগ।
যদি আপনি 2026 সালে গুড ফ্রাইডের সময় বাংলাদেশে থাকেন এবং এই বিশেষ দিনটি পর্যবেক্ষণ করতে চান, তবে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি:
পোশাক ও আচরণ: গির্জায় প্রবেশের সময় মার্জিত পোশাক পরিধান করুন। কাঁধ ও হাঁটু ঢেকে রাখা বাঞ্ছনীয়। যেহেতু এটি শোকের দিন, তাই উচ্চস্বরে কথা বলা বা হাসি-ঠাট্টা করা থেকে বিরত থাকুন। ফটোগ্রাফি: প্রার্থনার সময় ছবি তোলা বা ভিডিও করা অনেক ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ বা অনুচিত বলে গণ্য হতে পারে। অনুমতি ছাড়া কারো ব্যক্তিগত প্রার্থনার ছবি তুলবেন না। যাতায়াত: গুড ফ্রাইডেতে রাস্তাঘাটে যানজট সাধারণত কম থাকে কারণ এটি একটি ঐচ্ছিক ছুটির দিন। তবে গির্জা সংলগ্ন এলাকাগুলোতে ভিড় থাকতে পারে। আবহাওয়া: এপ্রিলের শুরুতে বাংলাদেশে বেশ গরম ও আর্দ্রতা থাকে (তাপমাত্রা ৩০-৩৫° সেলসিয়াস)। তাই হালকা সুতির পোশাক এবং সাথে পানির বোতল রাখা ভালো।
বাংলাদেশে গুড ফ্রাইডে একটি ঐচ্ছিক সরকারি ছুটি (Optional Holiday)। এর মানে হলো:
এটি বাধ্যতামূলক জাতীয় ছুটি নয়। সরকারি অফিস, ব্যাংক, বীমা এবং বেশিরভাগ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সাধারণত খোলা থাকে। তবে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সরকারি কর্মচারীরা এই দিনে ছুটি ভোগ করার অধিকার রাখেন। খ্রিস্টান মিশনারি স্কুল, কলেজ এবং প্রতিষ্ঠানগুলো এই দিনে বন্ধ থাকে।
Common questions about Good Friday in Bangladesh
২০২৬ সালে বাংলাদেশে গুড ফ্রাইডে April 3, 2026, Friday তারিখে পালিত হবে। বর্তমান সময় থেকে এই বিশেষ ধর্মীয় দিনটি আসতে এখনও 90 দিন বাকি রয়েছে। খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জন্য এটি একটি অত্যন্ত পবিত্র এবং ভাবগম্ভীর দিন, যা যীশু খ্রিস্টের ক্রুশবিদ্ধ হওয়া এবং তাঁর আত্মত্যাগকে স্মরণ করিয়ে দেয়।
না, গুড ফ্রাইডে বাংলাদেশে কোনো বাধ্যতামূলক সাধারণ বা জাতীয় ছুটির দিন নয়। এটি একটি ঐচ্ছিক ছুটি হিসেবে গণ্য করা হয়। এর অর্থ হলো সরকারি অফিস, ব্যাংক এবং অধিকাংশ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান স্বাভাবিকভাবে খোলা থাকে। তবে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী চাকুরিজীবীরা এই দিনে ছুটি নিতে পারেন এবং খ্রিস্টান মিশনারি স্কুল বা সংস্থাগুলো সাধারণত বন্ধ থাকে। যেহেতু ২০২৬ সালে এটি শুক্রবার পড়েছে, তাই অনেক ক্ষেত্রে সাপ্তাহিক ছুটির সাথে এটি মিলে যাবে।
গুড ফ্রাইডে যীশু খ্রিস্টের ক্রুশবিদ্ধ হওয়া এবং ক্যালভারি পাহাড়ে তাঁর মৃত্যুর ঘটনাকে স্মরণ করার একটি দিন। খ্রিস্টান ধর্মতত্ত্ব অনুসারে, যীশু মানবজাতির পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের কাছে এটি শোক, আত্মত্যাগ এবং মুক্তির প্রতীক। এটি ইস্টার সানডের আগের শুক্রবার পালন করা হয় এবং এটি পবিত্র সপ্তাহের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
বাংলাদেশে গুড ফ্রাইডে অত্যন্ত শান্ত ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে পালন করা হয়। এই দিনে খ্রিস্টানরা গির্জায় বিশেষ প্রার্থনা সভায় যোগ দেন, যেখানে বাইবেল পাঠ এবং যীশুর কষ্টের কাহিনী (প্যাশন) বর্ণনা করা হয়। অনেক ভক্ত উপবাস পালন করেন এবং ক্রুশের বন্দনা করেন। এটি উৎসবের দিন নয়, বরং আত্ম-অনুসন্ধান এবং প্রার্থনার দিন। ঢাকার আরমানি গির্জা বা ব্যাপ্টিস্ট চার্চের মতো স্থানগুলোতে এই বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশে গুড ফ্রাইডে উপলক্ষে কোনো আনন্দদায়ক উৎসব বা বিশেষ খাবারের প্রচলন নেই। যেহেতু এটি একটি শোকের দিন, তাই অনেক পরিবার নিরামিষ আহার করেন বা সারাদিন উপবাস থাকেন। তারা গির্জার ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে মনোনিবেশ করেন এবং বাড়িতে নিরিবিলিতে সময় কাটান। এটি বড়দিন বা ঈদের মতো সামাজিক উদযাপনের দিন নয়, বরং আধ্যাত্মিক ধ্যানের দিন।
পর্যটকদের জন্য পরামর্শ হলো, এই দিনে গির্জাগুলোতে যাওয়ার সময় মার্জিত পোশাক পরিধান করা উচিত (কাঁধ এবং হাঁটু ঢাকা থাকে এমন পোশাক)। যদিও অ-খ্রিস্টানরা গির্জায় যেতে পারেন, তবে প্রার্থনার সময় নিস্তব্ধতা বজায় রাখা জরুরি। গির্জার আশেপাশে উচ্চশব্দ বা উৎসবমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা উচিত। এছাড়া, সাধারণ পর্যটন কেন্দ্র বা দোকানপাট খোলা থাকলেও খ্রিস্টান প্রধান এলাকাগুলো এই দিনে কিছুটা শান্ত থাকতে পারে।
না, গুড ফ্রাইডে উপলক্ষে বাংলাদেশে সাধারণ যাতায়াত বা চলাচলে কোনো প্রভাব পড়ে না। বাস, ট্রেন এবং লঞ্চসহ সকল পাবলিক ট্রান্সপোর্ট স্বাভাবিকভাবে চলে। যেহেতু এটি জাতীয় ছুটির দিন নয়, তাই রাস্তাঘাট এবং দোকানপাট অন্য যেকোনো সাধারণ দিনের মতোই ব্যস্ত থাকে। তবে এপ্রিলের শুরুতে বাংলাদেশের আবহাওয়া বেশ গরম ও আর্দ্র থাকে (প্রায় ৩০-৩৫° সেলসিয়াস), তাই বাইরে বের হলে পর্যাপ্ত পানি সাথে রাখা ভালো।
গুড ফ্রাইডের ঠিক দুই দিন পরেই ইস্টার সানডে পালিত হয়, যা ২০২৬ সালের ৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। গুড ফ্রাইডে শোকের দিন হলেও ইস্টার সানডে হলো যীশু খ্রিস্টের পুনরুত্থানের আনন্দের দিন। বাংলাদেশে ইস্টার সোমবারও (৬ এপ্রিল) অনেক খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি ঐচ্ছিক ছুটি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এই দিনগুলোতে খ্রিস্টান পাড়াগুলোতে বিশেষ সাজসজ্জা এবং ধর্মীয় আমেজ লক্ষ্য করা যায়।
Good Friday dates in Bangladesh from 2010 to 2025
| Year | Day of Week | Date |
|---|---|---|
| 2025 | Friday | April 18, 2025 |
| 2024 | Friday | March 29, 2024 |
| 2023 | Friday | April 7, 2023 |
| 2022 | Friday | April 15, 2022 |
| 2021 | Friday | April 2, 2021 |
| 2020 | Friday | April 10, 2020 |
| 2019 | Friday | April 19, 2019 |
| 2018 | Friday | March 30, 2018 |
| 2017 | Friday | April 14, 2017 |
| 2016 | Friday | March 25, 2016 |
| 2015 | Friday | April 3, 2015 |
| 2014 | Friday | April 18, 2014 |
| 2013 | Friday | March 29, 2013 |
| 2012 | Friday | April 6, 2012 |
| 2011 | Friday | April 22, 2011 |
| 2010 | Friday | April 2, 2010 |
Note: Holiday dates may vary. Some holidays follow lunar calendars or have different observance dates. Purple indicates weekends.