Holiday Details
- Holiday Name
- March Equinox
- Country
- Bangladesh
- Date
- March 20, 2026
- Day of Week
- Friday
- Status
- 76 days away
- About this Holiday
- March Equinox in Bangladesh (Dhaka)
Bangladesh • March 20, 2026 • Friday
Also known as: মহাবিষুব
বাংলাদেশে মার্চ বিষুব বা 'ভার্নাল ইকুইনক্স' (Vernal Equinox) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জ্যোতির্বিজ্ঞানীয় ঘটনা, যা বসন্তের আগমনকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে। যখন সূর্য বিষুবরেখা অতিক্রম করে উত্তর গোলার্ধের দিকে অগ্রসর হয়, তখন পৃথিবীতে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সমান হয়। বাংলাদেশে এই সময়টি কেবল একটি প্রাকৃতিক পরিবর্তন নয়, বরং এটি প্রকৃতি, জলবায়ু এবং মানুষের জীবনযাত্রায় এক গভীর প্রভাব ফেলে। ২০২৬ সালে এই দিনটি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আরও বিশেষ হয়ে উঠেছে, কারণ এটি একই সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসের সাথে মিলে গেছে।
মার্চ বিষুব এমন একটি মুহূর্ত যখন পৃথিবী তার কক্ষপথে এমন এক অবস্থানে থাকে যেখানে সূর্যের আলো উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে সমানভাবে পড়ে। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী, এই সময় থেকে দিন বড় হতে শুরু করে এবং রাত ছোট হতে থাকে। এটি শীতের বিদায় এবং গ্রীষ্মের আগমনের মধ্যবর্তী এক আরামদায়ক সময়ের ইঙ্গিত দেয়। তবে বাংলাদেশে এই দিনটির গুরুত্ব কেবল বিজ্ঞানের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়। আমাদের কৃষিপ্রধান দেশে ঋতু পরিবর্তনের এই সংকেত কৃষকদের জন্য নতুন ফসলের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় হিসেবে বিবেচিত হয়।
২০২৬ সালের মার্চ বিষুব বাংলাদেশের মানুষের কাছে ভিন্ন মাত্রায় ধরা দেবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীয় এই ঘটনার পাশাপাশি এদিন পালিত হবে 'জুমাতুল বিদা', যা পবিত্র রমজান মাসের শেষ শুক্রবার। ফলে একদিকে মহাজাগতিক ভারসাম্য এবং অন্যদিকে আধ্যাত্মিক প্রতিফলন—এই দুইয়ের এক অপূর্ব মিলন ঘটবে এই দিনে। যদিও এটি কোনো সাধারণ সরকারি ছুটি নয়, তবুও এর সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় গুরুত্ব অপরিসীম।
২০২৬ সালে বাংলাদেশে মার্চ বিষুব পালিত হবে নিম্নোক্ত সময়ে:
তারিখ: March 20, 2026 বার: Friday বাকি সময়: আর মাত্র 76 দিন বাকি।
মার্চ বিষুবের তারিখ প্রতি বছর সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে। সাধারণত এটি ১৯, ২০ বা ২১শে মার্চের মধ্যে ঘটে থাকে। এটি একটি পরিবর্তনশীল তারিখের ঘটনা কারণ পৃথিবীর কক্ষপথ এবং ক্যালেন্ডার বছরের মধ্যে সামান্য পার্থক্য থাকে। ২০২৬ সালে বাংলাদেশে এই ঘটনাটি যখন ঘটবে, তখন স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে সূর্যের অবস্থান ঠিক বিষুবরেখার উপরে থাকবে। এই সুনির্দিষ্ট মুহূর্তটি জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের জন্য গবেষণার বিষয় হলেও সাধারণ মানুষের কাছে এটি একটি সুন্দর ও নাতিশীতোষ্ণ দিনের অভিজ্ঞতা নিয়ে আসে।
'বিষুব' শব্দটি সংস্কৃত থেকে এসেছে, যার অর্থ 'সমান'। ইংরেজিতে একে বলা হয় 'Equinox', যা ল্যাটিন শব্দ 'Aequus' (সমান) এবং 'Nox' (রাত) থেকে উদ্ভূত। বৈজ্ঞানিকভাবে বলতে গেলে, পৃথিবী তার অক্ষের ওপর ২৩.৫ ডিগ্রি হেলে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। বছরে দুবার এমন সময় আসে যখন পৃথিবীর অক্ষ সূর্যের দিকে হেলে থাকে না বা সূর্য থেকে দূরে সরে থাকে না। এর ফলে সূর্যের আলো সরাসরি বিষুবরেখার ওপর পড়ে।
বাংলাদেশে মার্চ বিষুবকে বসন্ত বিষুব হিসেবেও অভিহিত করা হয়। প্রাচীনকাল থেকেই পৃথিবীর বিভিন্ন সভ্যতায় এই দিনটিকে নববর্ষ বা নতুন জীবনের সূচনা হিসেবে পালন করা হতো। পারস্যের নওরোজ উৎসব বা প্রাচীন মেসোপটেমীয় সভ্যতার বিভিন্ন উৎসব এই বিষুবকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছিল। বাংলাদেশে সরাসরি বিষুব উৎসবের প্রাচীন প্রচলন না থাকলেও, পহেলা ফাল্গুন বা বসন্ত উৎসবের সাথে এর একটি পরোক্ষ যোগসূত্র রয়েছে। প্রকৃতিতে পলাশ, শিমুল আর কৃষ্ণচূড়ার সমারোহ এই বিষুবের আগমনেরই বার্তা দেয়।
২০২৬ সালের ২০শে মার্চ বাংলাদেশের মানুষের জন্য দ্বিগুণ তাৎপর্যপূর্ণ। এদিনটি কেবল ঋতু পরিবর্তনের দিন নয়, বরং মুসলিম প্রধান এই দেশে এটি পবিত্র রমজান মাসের শেষ শুক্রবার বা 'জুমাতুল বিদা' হিসেবে পালিত হবে।
জুমাতুল বিদা হলো রমজান মাসকে বিদায় জানানোর একটি আবেগঘন দিন। বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এই দিনে মসজিদে মসজিদে বিশেষ মোনাজাত করেন। জুমাতুল বিদার গুরুত্ব বাংলাদেশে অপরিসীম কারণ এটি ঈদুল ফিতরের ঠিক আগের মুহূর্তগুলোকে নির্দেশ করে। ২০২৬ সালে বিষুবের দিনটিতেই এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানটি হওয়ায় মানুষের মধ্যে এক ধরনের আধ্যাত্মিক ও প্রাকৃতিক সচেতনতা কাজ করবে। দিনের দৈর্ঘ্য সমান হওয়ার এই দিনে মানুষ স্রষ্টার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে এবং আসন্ন ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তুতি নেবে।
বাংলাদেশে মার্চ বিষুব বা ২০শে মার্চ দিনটি মানুষ বিভিন্নভাবে উদযাপন করে, যদিও এর বেশিরভাগই পরোক্ষ।
বাংলাদেশে মার্চ বিষুব সরাসরি কোনো লোকজ উৎসবের সাথে যুক্ত না হলেও, এর সাথে জড়িয়ে আছে আবহমান বাংলার ঋতু বৈচিত্র্য। মার্চ মাস মানেই বাংলাদেশে স্বাধীনতার মাস, আবার এটিই সেই সময় যখন কালবৈশাখীর পদধ্বনি শোনা যায়।
১. খাদ্য সংস্কৃতি: যেহেতু ২০২৬ সালে এটি রমজান মাসে পড়েছে, তাই ইফতারের আয়োজনে থাকবে বিশেষত্ব। ছোলা, পেঁয়াজু, বেগুনি আর জিলাপির পাশাপাশি থাকবে মৌসুমী ফল যেমন বেল বা কাঁচা আমের শরবত। ২. পরিচ্ছন্নতা: ঈদের আগে ঘরবাড়ি পরিষ্কার করার একটি দীর্ঘ ঐতিহ্য বাংলাদেশে রয়েছে। ২০শে মার্চের এই দিনটিতে অনেক পরিবার তাদের ঘর সাজানো এবং নতুন পর্দা বা আসবাবপত্র গোছানোর কাজ শেষ করে। ৩. ভ্রাতৃত্বের বন্ধন: জুমাতুল বিদার নামাজ শেষে একে অপরের সাথে কোলাকুলি করা এবং কুশল বিনিময় করা বাংলার এক চিরায়ত দৃশ্য। বিষুবের শান্ত আবহাওয়া এই মিলনমেলাকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলে।
আপনি যদি ২০২৬ সালের ২০শে মার্চ বাংলাদেশে অবস্থান করেন, তবে আপনার জন্য কিছু জরুরি পরামর্শ নিচে দেওয়া হলো:
বাংলাদেশে মার্চ বিষুব (২০শে মার্চ) কোনো সাধারণ সরকারি ছুটি নয়। তবে ২০২৬ সালের জন্য পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন:
অফিস ও আদালত: শুক্রবার হওয়ায় এমনিতেই সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রমজান ও ঈদের ছুটির কারণে বন্ধ থাকবে। ব্যাংক ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান: ব্যাংকিং কার্যক্রম সাধারণত শুক্রবার বন্ধ থাকে। তবে ঈদের আগের সময় হওয়ায় কিছু কিছু শপিং মল বা বিশেষ সেবা খোলা থাকতে পারে।বাংলাদেশে মার্চ বিষুব কেবল একটি মহাজাগতিক ঘটনা নয়, এটি আমাদের জীবনের স্পন্দনের সাথে মিশে থাকা একটি দিন। একদিকে বিজ্ঞানের অমোঘ নিয়ম অনুযায়ী দিন-রাত্রির সমতা, অন্যদিকে ধর্মীয় আবেগ আর আসন্ন ঈদের আনন্দ—সব মিলিয়ে ২০২৬ সালের ২০শে মার্চ হবে এক অনন্য দিন। প্রকৃতির এই ভারসাম্য আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, প্রতিটি শেষই নতুন এক শুরুর সংকেত। শীতের রুক্ষতা মুছে দিয়ে বসন্তের এই পূর্ণতা বাংলাদেশের মানুষের মনে নতুন আশার সঞ্চার করে। আপনি যদি এই দিনে বাংলাদেশে থাকেন, তবে প্রকৃতির এই রূপান্তর এবং মানুষের ধর্মীয় নিষ্ঠার এই মেলবন্ধন আপনাকে মুগ্ধ করবেই।
Common questions about March Equinox in Bangladesh
২০২৬ সালে বাংলাদেশে মার্চ বিষুব March 20, 2026, Friday তারিখে পালিত হবে। বর্তমান সময় থেকে এই বিশেষ জ্যোতির্বিজ্ঞানীয় মুহূর্তটি আসতে আর মাত্র 76 দিন বাকি রয়েছে। এই দিনে সূর্য বিষুবরেখা অতিক্রম করে, যার ফলে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য প্রায় সমান হয়। বাংলাদেশে সাধারণত এই ঘটনাটি স্থানীয় সময় বিকাল ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে ঘটে থাকে।
না, মার্চ বিষুব বাংলাদেশে কোনো সরকারি সাধারণ ছুটি নয়। সরকারি অফিস, ব্যাংক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাভাবিক নিয়মে খোলা থাকে। তবে ২০২৬ সালে এই দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ কারণ এটি রমজান মাসের শেষ শুক্রবার বা 'জুমাতুল বিদা'র সাথে মিলে গেছে। যদিও বিষুবের জন্য কোনো ছুটি নেই, তবে এর পরের দিনগুলো অর্থাৎ ২১ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশে সাধারণ ছুটি থাকবে।
মার্চ বিষুব একটি জ্যোতির্বিজ্ঞানীয় ঘটনা যা উত্তর গোলার্ধে বসন্ত ঋতুর আগমন এবং দক্ষিণ গোলার্ধে শরতের শুরু নির্দেশ করে। বাংলাদেশে এটি ঋতু পরিবর্তনের একটি সূচক হিসেবে কাজ করে, যেখানে দিনগুলো ধীরে ধীরে বড় হতে শুরু করে এবং আবহাওয়া উষ্ণতর হয়। যদিও জাপানের মতো দেশগুলোতে এটি একটি বড় সাংস্কৃতিক উৎসব, বাংলাদেশে এর গুরুত্ব মূলত বৈজ্ঞানিক এবং ঋতুভিত্তিক পরিবর্তনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
২০২৬ সালে মার্চ বিষুব দিনটি জুমাতুল বিদার সাথে একই দিনে পড়েছে। জুমাতুল বিদা হলো পবিত্র রমজান মাসের শেষ শুক্রবার, যা বাংলাদেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে অত্যন্ত আধ্যাত্মিক গুরুত্ব বহন করে। এই দিনে মুসল্লিরা মসজিদে বিশেষ জুম্মার নামাজ আদায় করেন, কোরআন তিলাওয়াত করেন এবং রমজান বিদায়ের প্রাক্কালে আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও রহমত প্রার্থনা করেন। এটি ঈদের প্রস্তুতির একটি বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।
মার্চ বিষুব উপলক্ষে আলাদা কোনো সামাজিক উৎসব না থাকলেও, জুমাতুল বিদা হওয়ায় মানুষ দিনটি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পালন করে। পুরুষরা মসজিদে নামাজ পড়তে যান এবং পরিবারগুলো ইফতারের বিশেষ আয়োজন করে। যেহেতু পরদিন থেকে ঈদের ছুটি শুরু হচ্ছে, তাই মানুষ এই দিনে শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা, ঘরবাড়ি পরিষ্কার এবং ঈদের প্রস্তুতির কাজে ব্যস্ত থাকে। বিষুবের কারণে দিন ও রাত সমান হওয়ার বিষয়টি মূলত প্রকৃতিপ্রেমী এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়।
মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশে সাধারণত উষ্ণ এবং আর্দ্র আবহাওয়া বিরাজ করে। দিনের তাপমাত্রা ২৫ থেকে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। এই সময়ে প্রাক-মৌসুমি বৃষ্টি বা কালবৈশাখী ঝড়ের সম্ভাবনা থাকে। বিষুবের সময় থেকে আর্দ্রতা বাড়তে শুরু করে, তাই হালকা সুতির পোশাক পরা এবং প্রচুর পানি পান করা আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য সহায়ক হতে পারে।
মার্চ বিষুবের সময় যারা বাংলাদেশে ভ্রমণ করবেন, তাদের মনে রাখা উচিত যে এটি রমজান ও ঈদের সময়। মসজিদের আশেপাশে চলাচলের সময় শালীন পোশাক পরা এবং জনসমক্ষে খাওয়া-দাওয়া থেকে বিরত থাকা স্থানীয় সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীলতার পরিচয়। এছাড়া ঈদের ছুটির কারণে রাস্তাঘাটে প্রচণ্ড যানজট থাকতে পারে, তাই দূরপাল্লার ভ্রমণের জন্য আগেভাগেই টিকিট বুক করে রাখা জরুরি। পর্যটন কেন্দ্র এবং মসজিদগুলো দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকে।
মার্চ বিষুবের জন্য নির্দিষ্ট কোনো ঐতিহ্যবাহী খাবার নেই। তবে ২০২৬ সালে এটি রমজানে পড়ায় ইফতারে খেজুর, জিলাপি, ছোলা, মুড়ি এবং সেমাইয়ের মতো রমজানের জনপ্রিয় খাবারগুলো প্রাধান্য পাবে। যেহেতু এটি ঈদের ঠিক আগের দিন, তাই অনেক পরিবারে বিরিয়ানি বা বিশেষ মিষ্টান্ন তৈরির প্রস্তুতিও এই দিন থেকেই শুরু হয়ে যায়।
March Equinox dates in Bangladesh from 2010 to 2025
| Year | Day of Week | Date |
|---|---|---|
| 2025 | Thursday | March 20, 2025 |
| 2024 | Wednesday | March 20, 2024 |
| 2023 | Tuesday | March 21, 2023 |
| 2022 | Sunday | March 20, 2022 |
| 2021 | Saturday | March 20, 2021 |
| 2020 | Friday | March 20, 2020 |
| 2019 | Thursday | March 21, 2019 |
| 2018 | Tuesday | March 20, 2018 |
| 2017 | Monday | March 20, 2017 |
| 2016 | Sunday | March 20, 2016 |
| 2015 | Saturday | March 21, 2015 |
| 2014 | Thursday | March 20, 2014 |
| 2013 | Wednesday | March 20, 2013 |
| 2012 | Tuesday | March 20, 2012 |
| 2011 | Monday | March 21, 2011 |
| 2010 | Saturday | March 20, 2010 |
Note: Holiday dates may vary. Some holidays follow lunar calendars or have different observance dates. Purple indicates weekends.